Monday, July 19, 2010
ক্রন্দসী
আরেকদিনের কথা বলি। আমার মেট্রিকের রেজাল্ট দিল।রেজাল্টে সবাই খুশি (এই ফাঁকে একটা কথা বলার লোভ সামলাতে পারছিনা, আমার মেট্রিকের রেজাল্ট খুবই ভাল ছিল, মফস্বলে আমাদের ছোট্ট বাসায় দেশের সবচেয়ে বড় পত্রিকার সাংবাদিক উপস্থিত হবার মত ভাল রেজাল্ট)। রেজাল্ট আউটের পরে আমি আর আম্মু ফুপুর বাসায় গেলাম মিষ্টি নিয়ে। আপা বাসার পাশেই একটা প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।আপাকে না পেয়ে আমি স্কুলে চলে গেলাম।(সরকারি স্কুলে তখন যখন খুশি তখনই যে কেউ ক্লাসে ঢুকে শিক্ষকের সাথে দেখা করতে পারত, এখন পারে নাকি জানি না)। খুজঁতে খুঁজতে আপাকে পাওয়া গেল ওয়ানের ক্লাসরুমে। আমার রেজাল্টের কথা উনিই আগেই শুলেছিলেন, আমাকে দেখে ক্লাসরুমেই জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকেন। আশেপাশের পিচ্চি শিক্ষার্থীরা চোখ বড় বড় করে তাদের টিচারকে দেখছে শাড়ির আচলে চোখ মুছছে... আমি চাপা গলায় তাকে বলছি, "কান্না কাটি বন্ধ করো তো মাহমুদা আপা। তোমার সব স্টুডেন্ট দেখছে।" আপা আরেকবার আঁচলে চোখ মুখে শুধু বল্লঃ "দেখুক"।
আরেক দিনের গল্প। মাহমুদা আপার ছোট বোনের বিয়ের দিনের ঘটনা। বিয়ের সব অনুষ্ঠান শেষ। কনেকে বিদায় দেবার পালা। মাহমুদা আপা কিছুতেই আপাকে ছাড়ছেন না। আপার হাত ধরে কেদেই চলছেন।বরের বাবা বাইরে বলছেন, "বেয়াই সাহেব দেরি হয়ে যাচ্ছে, কনে নিয়ে আমাদের যেতে দিতে হয়..."। শেষ পর্যন্ত আব্বা গিয়ে ধমক দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসলেন।
ফুপুর শরীর অনেকদিন থেকে খারাপ। ক্রন্দসী মাহমুদা আপাকে নিয়ে বাসার সবারই চিন্তিত। মাহমুদার মন এত নরম, ফুপা ফুপু মারা গেলে ও কিভাবে থাকবে?(আপু বিয়ে করেননি, করবেনও না), কে তাকে সান্ত্বনা দিবে... এই সব। ফুপু মারা যাবার পর আমি একবার তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। আহারে কি কান্না, কি কষ্ট, কত অসহায়ত্ব!
মাহমুদা আপার সাথে আর আমার দেখা হয়নি। সময় কোথায়?ইট-পাথরের এই কঠিন দুনিয়া কঠিন হৃদয়ের সব মানুষের জন্য, ক্রন্দসী মাহমুদা আপার জায়গা এখানে নেই।
Monday, February 02, 2009
ভ্যাটিকানের পোপ
ভ্যাটিকানের পোপ
লিখেছেনঃ তানভীর (১৯৯৫-২০০১) | রবি, ১/০২/০৯ – ৪:৩৫ অপরাহ্ন
(এই লিখাটার মেইন থিম reader digest থেকে নেয়া। ভাবানুবাদটা আমার।)
ভ্যাটিকান সিটির পোপ একবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এর নিমন্ত্রনে আমেরিকা বেরাতে এসেছেন। পোপ লিমুজিন এ করে এক স্টেট থেকে আরেক স্টেট এ যাবেন, সংগে শুধু লিমুজিনের ড্রাইভার। অনেক দূর চলার পর হটাৎ পোপের মনে হল, এই ড্রাইভার ও তো একজন মানুষ। সে কষ্ট করে পুরো রাস্তা ড্রাইভ করবে আর তিনি নিজে পেছনে আয়েশ করে যাবেন – এটা ঠিক না, ঈশ্বরের দৃষ্টিতে সবাই সমান।
পোপ ড্রাইভারকে বললেন, “কিছু মনে করবেন না, আমি ও গাড়ি চালাতে পারি, আপনি অনেকক্ষন ধরে গাড়ি চালিয়েছেন, এখন আপনি পিছনে এসে বিশ্রাম করুন। আমি কিছুক্ষন লিমুজিন চালাই।“
ড্রাইভার কিছুক্ষন ইতস্তত করে শেষ পর্যন্ত রাজি হলেন। তবে পোপকে সাবধান করে দিলেন স্পীড লিমিটের উপরে গাড়ীর স্পীড না তুলতে।
পোপ ও ড্রাইভার তাদের সিট বদল করলেন, ক্লান্ত ড্রাইভার লিমুজিনের পিছনের সিটে কিছুক্ষনের মধ্যেই ঘুমিয়ে পরলেন।
ভ্যাটিকান খুবই ছোট শহর, রাস্তাগুলোও সরু, খুব বেশি গতিতে গাড়ি চালানো যায় না। পোপ প্রথমবারের মত এত ফাকা হাইওয়ে পেয়ে আনন্দে আটখানা। লিমুজিনের স্পীড কখন যে স্পীড লিমিট অতিক্রম করেছে সেদিকে তার খেয়ালই নেই। তার যখন খেয়াল হল ততক্ষনে হাইওয়ে পেট্রলকারের একজন পুলিশ অফিসার তার গাড়ি থামাতে বলেছে।
পোপ রাস্তার পাশে গাড়ি থামালেন। গম্ভীর অফিসার পোপের কাছে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলেন।
পোপ বললেন,”অফিসার, আমি খুবই দুঃখিত, আমার কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই।”
অফিসার কৈফিয়তের সুরে জানতে চাইলেন, “কে হে তুমি? লাইসেন্স ছাড়া আমার হাইওয়ে তে গাড়ি চালাচ্ছ?”
পোপ অপরাধীর গলায় বললেন, “জি, আমি ভ্যাটিকানের পোপ”
অফিসারকে এখন কিছুটা উদ্দিগ্ন দেখাল, পোপকে সেখানেই অপেক্ষা করতে বলে তিনি তার পেট্রলকারের কাছাকাছি এসে নিকটবর্তি বেস স্টেশনে ওয়্যারলেস এ যোগাযোগ করলেন।
অফিসারঃ স্যার, অতিরিক্ত গতির কারনে আমি এই মাত্র একটি লিমুজিনকে রাস্তার পাশে দাড় করিয়েছি, কিন্তু ভিতরে আরোহী মনে হয় খুবই ভি.আই.পি লোক, আমি কি লিমুজিনকে ছেড়ে দিব, স্যার?
ওপাশ থেকেঃ খুবই ভি.আই.পি লোক বলতে তুমি কি বোঝাচ্ছো? আরোহী কি কোন সিনেটর?
ঃনা স্যার, উনি আরো ভি.আই.পি।
ঃ সে কি কোন দেশের প্রেসিডেন্ট?
ঃনা স্যার, উনি আরো আরো ভি.আই.পি।
ঃ আরো আরো ভি.আই.পি! তুমি কি তাহলে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের লিমুজিন আটকিয়েছো?
ঃ জি না স্যার, এর চেয়েও বড় কোন ভি.আই.পি পেছনে বসে আছেন।
বেস স্টেশনের কর্তব্যরত লোককে এখন কিছুটা আতংকিত মনে হলো, ফিসফিস করে তিনি অফিসারকে জিজ্ঞেস করলেন, “আচ্ছা, পেছনে কে বসে আছেন, বলো তো”
অফিসারঃ”স্যার তা আমি জানি না, তবে উনার গাড়ীর ড্রাইভার হচ্ছেন ভ্যাটিকানের পোপ।”
Monday, November 10, 2008
Monday, November 03, 2008
চাপাবাজি
আমরা তখন ক্লাস টেন এ। কোন একটা অফ পিরিয়ডে লনটেনিস নিয়ে কথা হচ্ছে। খুব সম্ভবত মার্টিনা হিংগিস এর ফিগার নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। ক্যাডেট কলেজের ছেলেদের এই সব ব্যাপারে উৎসাহ অসম্ভব। যথারীতি আবীর তার চাপাবাজি নিয়ে উপস্থিত।
: আরে মানুষ যে কেন পিট সাম্প্রাস পিট সাম্প্রাস করে বুঝিনা! আন্দ্রে আগাসির খেলা দেখসিস? এক্সিলেন্ট একটা প্লেয়ার। তার ফোর হ্যান্ড শট গুলা দেখছিস। মাইন্ড ব্লোইং । জাস্ট unimaginable. ১৬০ কিলোমিটার বেগে এক একটা গোলা আসে। পিট সাম্প্রাস এর সাথে একবার সেমি ফাইনালে দেখা হইছিল, ১৯৯২ এর ফ্রেঞ্চ ওপেনে। গু হারা হারছে।
: তাই নাকি?
: আরে নইলে আর কি বলতেছি, অবশ্য পিট সাম্প্রাস, টমি মাগুয়ে, স্টিফেন আরলং এদের খেলা ও ভাল ছিল।
হঠাৎ পাশ থেকে মিনহাজ জিজ্ঞেস করলঃ আবীর, অস্ট্রেলিয়ার প্লেয়ার জহানমির খেলা দেখছিস? দারুন খেলে না!
: ওফ ভাল কথা মনে করছিস, অসাধারন একটা প্লেয়ার। কি যে খেলত।
মিনহাজ হঠাৎ করে হা হা করে হাসতে লাগল।
: আবীর, শালা চাপাবাজ, মিনহাজ কে উল্টাইলে জহানমি হয়, আর তুই ওর খেলা দেখছিস, না?
আমরা আবীরের এহেন caught এ হো হো করে হেসে উঠি। আবীর কিছুটা অপ্রস্তুত হয়, but only for few seconds. তারপরই বলে উঠে,
: মিনহাজ, তুই বিশ্বাস করবি না, কিন্তু আসলেই অস্ট্রেলিয়াতে জহানমি নামের একজন লন টেনিস প্লেয়ার আছে, তুই বিশ্বাস না করলে আগামি সপ্তাহে আমি sports week এ তোকে ওই লোকের নাম দেখাব, দেখিস...
এই তো গেল কলেজের এক বন্ধুর কথা। আমাদের এলাকার এক কাকা ছিল। সেলিম কাক্কু। বিরাট চাপাবাজ। তার চাপাবাজির নমুনা শুনুন।
সেলিম কাকার সব চাপাবাজি ছিল আব্বুর সাথে। বারান্দাতে চায়ের কাপ হাতে শুরু হতো তার গল্প।
: স্যার, সউদি থেকে যখন চলে আসি তখনকার ঘটনা। অন্যান্য জিনিসের সাথে আমার একটা শখের হারমনিয়াম আসে, বেশ বড় হারমনিয়াম... ওই যে টিভিতে শিল্পীরা গান গায় যে ওই গুলা। তো এয়ারপোর্টে কাস্টমস এর অফিসার আটকাল। বলল, “স্যার এই হারমনিয়াম এর ট্যাক্স এর কাগজ কই?”
আমি কিছুটা অবাক হয়ে বললাম, “ট্যাক্স এর কাগজ মানে! আপনি কি বাসায় টিভি দেখেন না নাকি, আমার গান কি আপনি টিভিতে শুনেন নাই? আশ্চর্য্য, কি বলছেন আপনি এসব?”
ভদ্রলোক কিছুটা হতচকিয়ে গেল।
: না স্যার, ওই খুব busy থাকি তো, টিভি খুব একটা দেখা হয় না...
: ওহ তাই বলেন, শিল্পীদের আবার কখনো ইন্সট্রুমেন্টের জন্য কাগজ দেখাতে হয় নাকি...
সেবার নাকি তাকে আর কোন কাগজ দেখাতে হয়নি। চাপাবাজির কথা যখন আসল তখন আরো কয়েকজনের কথা বলা উচিত... আচ্ছা থাক, আজকে এ পর্যন্তই, বাকিটা অন্য কোন একদিন বলব।
Sunday, July 20, 2008
Jontu Public
: Jonto, janis azke amader colleger Dim sir ei ei korse...
: Paplu, azke versity te ek gadha ei ei korse..
: hu.. khali onneke gadha bolis, tui nije ki?
: tui to moha murkho
lolz.. all were silly except us.
Mom ordered to stay us in two different rooms during our study. She had a good writing skill, when i was in college, she wrote me many letters. The letters were funny and humorous. One day Abdullah sir called me at house office.. He had a letter on his hand.
: Tanvir, who is "pappoli"?
: Oh, that's me sir, my sis used to call me by this name.
: Where does she study?
: JU, English
: Hmm, seems you two are very immediate.
: we are sir.
: So Pappoli, what do you call her?
: ----
: OK take your letter.
Now in electronic media, i don't get so much time to write her. Still i try to write to her.
Wanna see some sample?? :P
Sunday, January 27, 2008
Shironamheen

